NETWORK99
আমাদের কোম্পানির নাম নেটওয়ার্ক৯৯ আমাদের কোম্পানি প্রতিষ্ঠত ২০০৮ সালে স্বীকৃতি লাভ করে ২০১২ সালে
আমাদের কোম্পানির মালিক এস এ সম্মু শিকদার
আমাদের কাজঃ
আপনাকে একটি বিজনেস পেজ এবং একটি বিজনেস আইডি দেওয়া হবে সেই পেজে ৬ ঘন্টা থাকতে হবে যদি কেউ এসএমএস করে কোন প্রোডাক্ট কিনতে চাই তাহলে তার কাছ থেকে প্রোডাক্টের অর্ডার নিতে হবে।
আমাদের সাথে কিভাবে যুক্ত হবেনঃ
আমাদের সাথে যুক্ত হতে গেলে এক কপি ভোটার আইডি কার্ডের ছবি বা জন্ম নিবন্ধন এর ছবি এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট বা সার্টিফিকেট এর ছবি জমা দিতে হবে এবং অনলাইন বিজনেস প্রোফাইল আইডি ক্রিয়েট করার জন্য ২০০০ টাকা জমা দিতে হবে অনলাইন বিজনেস প্রোফাইল আইডি ক্রিয়েট হওয়ার ১২ ঘন্টা পর আপনার একাউন্টে ১৪৫০ টাকা জমা হবে সেই টাকা এবং আপনার মাসিক টাকা আমাদের কোম্পানীর ম্যানেজার মো: মেহেদি হাসান এর কাছ থেকে উঠাতে পারবেন।
ম্যানেজার:01775523576
আমাদের কোম্পানি থেকে কিভাবে লাভবান হওয়া যায়:
আমাদের কোম্পানি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি আমাদের কোম্পানি সরাসরি ফিটকারি থেকে প্রোডাক্ট নিয়ে আসে ফিফটি পার্সেন্ট এবং সেটি হান্ড্রেড শতাংশ বিক্রি করে এখানে আমরা ফিফটি পার্সেন্ট লাভবান হই আবার দেখেন আপনার এলাকায় কোন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকানে একটি পণ্য আসতে গেলে প্রথমে ফেটকারি থেকে_এজেন্ট_রিটেলর_হোলসেলার_
ডিলার তারপরে দোকানে যেয়ে পৌঁছাই কিছুটা মাঝখানে প্রফিট থেকে যাচ্ছে ফিটকারি পণ্য দিচ্ছে ফিফটি পার্সেন্ট এ এর ফ্যাক্টরি থেকে দোকানদারের হাতে পৌঁছাতে যে ফিফটি পার্সেন্ট টাকা থেকে যাচ্ছে সেগুলো এরা সবাই মিলে প্রফিট করতেছে তো আমরা কোম্পানি ডাইরেক ফিটকারি থেকে আমাদের কোম্পানিতে প্রডাক্টস নিয়ে আসছি তারপর ডাইরেক্ট কাস্টমার এর হাতে প্রডাক্ট তুলে দিচ্ছি এখানে ফিফটি পার্সেন্ট টাকা আমরা লাভ করতেছি আর দোকানদাররা কিছুটা প্রফিট লাভ করতেছে।
ক্যাটাগরি- ইলেকট্রনিক্স পণ্য
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা শুরু করতে হলে, স্বাভাবিকভাবেই ইলেকট্রনিক্স পণ্য সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখতে হবে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে কীভাবে সে সম্পর্কেও ধারণা থাকা লাগবে।
ইলেকট্রনিক পণ্যসমূহ যেমন টিভি, ফ্রিজ, বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা, কম্পিউটার ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস এখন বাজারে খুব জনপ্রিয়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমরা ইলেকট্রিক বা ইলেকট্রনিক্স জিনিস ছাড়া আমাদের জীবন কল্পনাই করতে পারি না।
যদি ও বাজারে অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে তবুও নিজে যদি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা হতে পারে একটি দারুন আইডিয়া।
তবে এ ব্যবসা শুরু করার আগে এ জিনিস গুলো নিয়ে ভালো ধারনা থাকতে হবে। আজ আমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব। চলুন জেনে নিই।
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা
এক নজরে সম্পূর্ণ লেখা দেখুন
ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা করার পদ্ধতি সমূহ
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা সাধারনত দুইভাবে করা যায়।
ডিলারশীপ ব্যবসা
খুচরা পণ্য বিক্রির ব্যবসা
ডিলারশীপ ব্যবসা হলো কোন একটা নির্দিষ্ট কোম্পানির পণ্যের বিক্রি ও বন্টনের দায়িত্ব গ্রহণ। এর জন্য সেই নির্দিষ্ট কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে হয়।
তবে, ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে খুচরা পণ্য বিক্রির ব্যবসা শুরু করাই উপযুক্ত।
খুচরা পণ্য বিক্রি ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে।
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা শুরু করার ধাপ সূমহ
১. ব্যবসা পরিকল্পনা
যে কোন ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রেই পরিকল্পনা করা জরুরি। একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকান দেওয়ার আগে এর সুযোগ সুবিধা সব দিকে দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।
লাভ ক্ষতির বিষয় মাথায় রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা ইলেকট্রনিক্স জিনিস সম্পর্কে খুব ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।
Related: নতুন ব্যবসা পরিকল্পনা করার জরুরি ৯টি ধাপ?
২. মূলধন
শুরুতে অল্প পরিমান মূলধন নিয়ে ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে প্রথমে শুরু করা যায়। তবে, এ ধরনের ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত টাকার ব্যবস্থা আগেই রাখতে হবে।
দোকান ভাড়া থেকে শুরু করে পাইকারি ভাবে পণ্য ক্রয়, দোকান সাজানো, স্টোর রুম রাখা, এডভারটাইজমেন্ট করা এবং যদি কোন কর্মচারী নিযুক্ত করা হয় সব কিছুর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ মজুদ রাখতে হবে।
বিজনেস লোন পাওয়ার উপায় জানা থাকলে মূলধন নিয়ে খুব একটা চিন্তা করতে হয়না।
তবে, যদি নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভব না হয় তাহলে, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে অর্থ লোন করা যেতে পারে। গ্রামীন ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক লোন দিয়ে থাকে।
৩. দক্ষতা
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই ইলেকট্রিক জিনিস সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে।
গ্রাহক যখন দোকানে পণ্য কিনতে আসবে তখন সেই পণ্য সম্পর্কে তাদের একটা স্বচ্ছ ধারণা না দিতে পারলে গ্রাহক পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী হবে না।
৪. ব্যবসায়ের নাম
যে কোন ব্যবসা শুরু করার আগে অবশ্যই তার একটি সুন্দর নাম বাছাই করতে হবে। নামটি হতে হবে ছোট ও আকর্ষণীয়। নাম শুনেই যেন বুঝা যায় দোকানটিতে কি ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি হতে পারে।
দোকানের সুন্দর নামের তালিকা ও নতুন ব্যবসার নাম নির্বাচন করার উপায়।
৫. লাইসেন্স
যে কোন ব্যবসার শুরুতেই লাইসেন্স করা জরুরি। লাইসেন্স করা থাকলে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সব দিকে থেকে সুরক্ষিত থাকে। সাধারনত ১৮ বছর বয়সী যে কেউ লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবে।
সেক্ষেত্রে শহরে অবস্থান হলে সিটি কর্পোরেশন থেকে লাইসেন্স গ্রহন করতে হবে। এছাড়াও, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও লাইসেন্স গ্রহন করা যেতে পারে। এলাকা ভিত্তিক আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
৬. স্থান নির্বাচন
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসা শুরু করার আগে একটি উপযুক্ত স্থান বাছাই করা সবচেয়ে জরুরি। উপযুক্ত স্থানে দোকান দিতে পারলে ব্যবসায় উন্নতি ও দ্রুত হয়। স্থান বাছাই করতে হবে এমন জায়গায়, যেখান কাস্টমার আসা যাওয়ায় সুবিধা হয়।
জনবহুল জায়গায় ও যাতায়াতে সুবিধা আছে এমন স্থান বাছাই করতে হবে দোকানের জন্য।
৭. পণ্য সোর্স ও পাইকারি মার্কেট
ইলেকট্রনিক্স পণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি মার্কেট হলো ঢাকার নবাবপুর এলাকায়। এখানে কয়েক হাজার দোকান রয়েছে যেখান এইসব পণ্য পাইকারি বিক্রি করা হয়। এছাড়া এখানে খুচরা ও বিক্রি করা হয়ে থাকে। এবং তুলনামূলক কম দামে পণ্য পাওয়া যায়।
এছাড়া অন্যান্য বড় বড় যেসব মার্কেট গুলো যেমন গুলশানের ডিসিসি মার্কেট, মোহাম্মদপুর এলাকার টাউন হল মার্কেট এসব জায়গায় ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের পাইকারি দোকান আছে।
আমাদের কোম্পানির শোরুম :
Join to view full profiles for free
Already have an account?
2.1 Billion
0
0
0.00 G
0.00M/B
--:--
0.00 K
0.00K
0 ppl

BTCs0.00000000
BTC0.00000000

Height/Rewards/Hash/TimeMyReawardsStatus
# 0
50 BTCs
01010...01010
00-00 00:00


Block

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন